পরিচয় ফাউন্ডেশন দ্বাদশ ‘পরম্পরা’ উৎসব এবং একাদশ ‘শ্রী’ পুরস্কার ২০২৬-এর কলকাতা পর্বের সূচনা হলোকলকাতা।

সংবাদদাতা শুক্রবার কলকাতার আইসিসিআর মিলনায়তনে ‘পরিচয় ফাউন্ডেশন’ দ্বাদশ ‘পরম্পরা’ উৎসবের কলকাতা পর্ব এবং একাদশ ‘শ্রী’ পুরস্কার ২০২৬-এর সূচনা হলো।

এর মধ্য দিয়ে ১৯ থেকে ২১ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত কলকাতা ও ভুবনেশ্বরে আয়োজিত এই জমকালো তিন দিনব্যাপী উৎসবের সূচনা হলো।অনুষ্ঠানে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—পদ্মশ্রী পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য, ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) সিনিয়র স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অরুণ কুমার মহান্তি, ‘ক্যান্ডিড কমিউনিকেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক পারমিতা ঘোষ, প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মনোজ মুরলী নায়ার, অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক রাহুল বর্মন, সুপরিচিত লোকসংগীত শিল্পী ও বহু-বাদ্যযন্ত্রবাদক দীপান্বিতা আচার্য এবং ‘পরিচয় ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা-সভানেত্রী ড. রোজালিন পাটাসানি মিশ্র।সমবেত শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতাকালে ড. রোজালিন পাটাসানি মিশ্র ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং পবিত্র ‘গুরু-শিষ্য’ পরম্পরার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিলুপ্তপ্রায় শিল্পকলাগুলোর পুনরুজ্জীবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‘১১তম শ্রী অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’ অনুষ্ঠানে সমাজে অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের ২৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া, এই উপলক্ষ্যে ‘ফাদার্স ডে’ বা পিতৃ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে সমাজে পুরুষদের সাফল্য এবং তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী ও অমূল্য অবদানের স্বীকৃতি জানানো হয়।ভারতের প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই সন্ধ্যায় প্রখ্যাত শিল্পী ও পরিবেশকদের পরিবেশনায় শাস্ত্রীয় নৃত্য, সঙ্গীত, আবৃত্তি এবং কথ্য পরিবেশনা এক অনন্য মাত্রা যোগ করে। ১৯ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘পরম্পরা উৎসব ২০২৬’-এর মূল লক্ষ্য হলো ওড়িশার বিলুপ্তপ্রায় শিল্পকলাগুলোর সংরক্ষণ ও প্রসার এবং চিরায়ত ‘গুরু-শিষ্য’ ঐতিহ্যের উদযাপন। এই উৎসব ভারতের অস্পর্শনীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক উৎকর্ষ সাধনে ‘পরিচয় ফাউন্ডেশন’-এর অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করে।
